ঘরে বসে কলম প্যাকিং করে মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয়ের বিজ্ঞাপন এখন ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায়।
বিশেষ করে নারী, শিক্ষার্থী ও ঘরে বসে আয় করতে আগ্রহীদের লক্ষ্য করে এসব বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। এখন সবার প্রশ্ন হলো বাংলাদেশে কলম প্যাকিং এর কাজ কি সত্য, নাকি এটি সম্পূর্ণ ভুয়া?
সংক্ষেপে বললে, প্যাকেজিং কাজ বাস্তবে থাকতে পারে, কিন্তু অনলাইনে প্রচার করা “ঘরে বসে কলম প্যাকিং করে নির্দিষ্ট মাসিক আয়” ধরনের অফারের বড় একটি অংশ প্রতারণামূলক বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এজন্য আপনাদের এই বিষয়টিতে সঠিক তথ্য জানতে হবে। যে কোন পেজে অথবা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এই ধরনের অফার দেখলে সতর্ক থাকবেন।
কলম প্যাকেজিং এর কাজ অনেক অঞ্চলে বা স্থানভেদে পাওয়া যেতে পারে। তবে সত্যিকার অর্থে এই কাজটি বর্তমানে খুব বেশি পাওয়া যায় না। চলুন এবার একটু বিস্তারিত দেখে আসি।
বাংলাদেশে কলম প্যাকিংয়ের কাজ কি সত্য?
কলম তৈরি করে প্যাকেজিং করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। প্রতিটি কোম্পানি বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট তৈরি করার পর প্যাকেজিং ভালোভাবে করিয়ে থাকে।
তবে বেশিরভাগ প্যাকেজিং সরাসরি ফ্যাক্টরিতে হয়ে থাকে। তবে কিছু কিছু ছোট প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি পাবেন যারা মূলত মাঝেমধ্যে বাড়িতে বসে প্যাকিংয়ের কাজ দিয়ে থাকে।
অবশ্যই পড়ুনঃ
অনেক সময় কলম প্যাকেজিং এর কাজগুলো পাওয়া যেতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলো সাধারণত নিজস্ব ফ্যাক্টরিতেই প্যাকেজিংয়ের কাজ সম্পন্ন করে থাকে।
আপনি যদি ফ্যাক্টরিতে জব করেন, সে ক্ষেত্রে ফ্যাক্টরিতেই নির্দিষ্ট রুমে প্যাকিং এর কাজগুলো করতে পারবেন।
কিন্তু বর্তমানে অনেক ভুয়া প্যাকেজিং কাজের অফার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে। যেখানে বিজ্ঞাপনে বলা হচ্ছেঃ কোম্পানি বাড়িতে কলম ও প্যাকেজিং সামগ্রী পাঠাবে।
এরপর নির্দিষ্ট সংখ্যক কলম প্যাকেটজাত করে দিলে মাস শেষে ১৫, ২০ বা ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা যাবে।
কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এ ধরনের অনেক বিজ্ঞাপনের পেছনে প্রকৃত কোনো নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান নেই। বরং চাকরির কথা বলে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন বা ডেলিভারি ফি নেওয়া হয় এবং পরে একের পর এক টাকা দাবি করা হয়।
তাই সর্বশেষে বলবো কলম প্যাকেজিং এর কাজ থাকতে পারে, কিন্তু এই কাজটির জন্য কর্মী নিয়োগ কখনোই বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হবে না।
কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠান সাধারণত সরাসরি তাদের অফিসিয়াল পেজ অথবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জব সার্কুলার প্রকাশ করে থাকে। যেখানে তারা কলম প্যাকেজিং সহ বিভিন্ন ধরনের কাজের জব দিয়ে থাকে।
তাই অবশ্যই যে কোন গ্রুপ বা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এই ধরনের আকর্ষণীয় লোভনীয় অফার দেখে বিচলিত হবেন না। কারণ এগুলো বেশিরভাগই ভুয়া বিজ্ঞাপন হয়ে থাকে।
যেগুলো মূলত এক প্রকার প্রতারক দল এই কাজটি করে থাকে। তারা রেজিস্ট্রেশন ফি নামে টাকা নিয়ে থাকে। আর তারা কোন জব প্রদান করে না।
এজন্য অনলাইনে জব খোঁজার আগে বা জব আবেদন করার আগে সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করে নিবেন। কখনোই টাকা আগে লেনদেন করবেন না, প্রথমে কোম্পানির অস্তিত্ব যাচাই করুন।
কোম্পানী সম্পর্কে জানুন বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভালোভাবে খোঁজ নিন। এরপর তাদের প্রতিনিধি বা কোম্পানিতে গিয়ে যোগাযোগ করুন।
কলম প্যাকিংয়ের নামে কীভাবে প্রতারণা করা হয়?
সাধারণত প্রতারকরা খুব আকর্ষণীয় একটি চাকরির বিজ্ঞাপন তৈরি করে। যেখানে তারা কলম প্যাকেজিং এর কাজ দিবে বলে থাকে। পাশাপাশি আকর্ষণীয় স্যালারি অফার করার কথা লেখা থাকে।
আরো অনেক ধরনের কথা ও শর্ত লিখে দেয়, এর ফলে যেকোন সহজ সরল মানুষ তাদের অফারে আকৃষ্ট হয়ে তাদের ফাঁদে পড়ে যায়।
তারা বিভিন্ন টাইপের আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন তৈরি করে এবং সেখানে অনেক আকর্ষণীয় কথা লেখা থাকে যেমনঃ
- ঘরে বসে কাজ
- কোনো অভিজ্ঞতা প্রয়োজন নেই
- নারী ও শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ
- প্রতিদিন বা মাসিক নির্দিষ্ট আয়
- কোম্পানি বাড়িতে কাজের উপকরণ পৌঁছে দেবে
- কাজ শেষে কোম্পানি পেমেন্ট করবে
আগ্রহী ব্যক্তি যোগাযোগ করলে তাকে বলা হতে পারে, কাজ শুরু করার আগে একটি রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হবে।এরপর শুরু হতে পারে নতুন নতুন চার্জের দাবি যেমনঃ
- রেজিস্ট্রেশন ফি
- আইডি কার্ড ফি
- ডেলিভারি চার্জ
- সিকিউরিটি মানি
- প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়াল চার্জ
- প্রসেসিং ফি
- ভেরিফিকেশন ফি
কলম প্যাকেজিং চাকরির নামে এমন প্রতারণার ক্ষেত্রে কয়েকশ টাকা থেকে শুরু করে অনেক বেশি অর্থ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তাই আমি সকলকে সাজেশন করব অনলাইনে জব খোঁজার ক্ষেত্রে সতর্ক হবেন। কোন জব খুঁজে পেলে আগে জবের ধরন দেখুন।
আকর্ষণীয় কোন অফার বা কিছু লেখা আছে কিনা সেটা চেক করুন। পাশাপাশি কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠান এই জব দিবে সেটি যাচাই করুন।
সর্বশেষে জেনে রাখুন জব করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের টাকা লেনদেন করতে হয় না বা কোন রেজিস্ট্রেশন ফি নেই।
তাহলে আশা করছি বুঝতে পারছেন কিভাবে প্রতারক চক্র কলম প্যাকেজিং এর নামে প্রতারণা করে থাকে। এজন্য সকলেই এখন থেকেই সতর্ক হয়ে যান। বিশেষ করে যারা খুব বেশি প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান রাখেন না, তারা এই বিষয়গুলো ভালোভাবে জেনে রাখুন।
ফেসবুকে কলম প্যাকিংয়ের বিজ্ঞাপন দেখলেই কি বিশ্বাস করবেন?
না। ফেসবুকে কোনো চাকরির বিজ্ঞাপন থাকা মানেই সেটি বৈধ নয়।২০২৬ সালের একটি অনুসন্ধানে Fact-Watch কলম প্যাকেজিং চাকরি নিয়ে শত শত ফেসবুক পেজ ও বিজ্ঞাপন পর্যবেক্ষণ করে প্রতারণামূলক প্রচারণার প্রমাণ পেয়েছে।
কিছু পেজ পুরোনো অন্য নামের পেজ পরিবর্তন করে “কলম প্যাকেজিং জব” ধরনের নাম ব্যবহার করেছিল বলেও অনুসন্ধানে উঠে আসে।
আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো, কিছু বিজ্ঞাপনে এমন ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করা হয়েছে যেগুলো প্রকৃতপক্ষে অন্য দেশের বা অন্য প্রতিষ্ঠানের কাজের দৃশ্য। অর্থাৎ ছবি দেখে চাকরিটি বাংলাদেশে সত্যিই চলছে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া নিরাপদ নয়।
এজন্য বলব ফেসবুক সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে কোন চাকরির বিজ্ঞাপন থাকা মানে সেটি বৈধ চাকরি নয়। প্রথমে আপনাকে যে চাকরি দিবে তার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে হবে।
পাশাপাশি কোন কোম্পানি যদি চাকরি দেয় তাহলে অবশ্যই তারা তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ অথবা ওয়েবসাইটে সার্কুলার দিবে।
আর সেই সার্কুলারের ভিত্তিতে আপনাকে আবেদন করে তাদের কোম্পানিতে সরাসরি গিয়ে ইন্টারভিউ দিতে হবে। সাধারণত এভাবেই প্রকৃতপক্ষে জবের কার্যক্রম হয়ে থাকে।
আর এখন যদি আপনাকে কেউ বলে রেজিস্ট্রেশন ফি দিন, কলম প্যাকেজিং এর জব পেয়ে যাবেন। এগুলো সম্পূর্ণ ভুয়া কথা।
তারা ফি নিয়ে আপনাকে কোন চাকরি দেবে না, বরং টাকা নিয়ে পালিয়ে যাবে। এজন্য অনলাইনে লেনদেন করার আগে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবেন।
আর আকর্ষণীয় ব্যানার বা বিজ্ঞাপন দেখলেই জবের জন্য আবেদন করতে যাবেন। প্রথমে বিজ্ঞাপন ও পোস্টটির যথার্থতা যাচাই করুন, এরপর সিদ্ধান্ত নিয়ে আবেদন করুন।
কলম প্যাকিংয়ের কাজ ভুয়া বোঝার ৭টি উপায়
আসলে কলম প্যাকিং এর কাজ ভুয়া নাকি সত্য তা বোঝার কয়েকটি লক্ষণ রয়েছে। যেকোনো বিজ্ঞাপন দেখলেই এই বিষয়গুলো লক্ষ্য করুন। পাশাপাশি যিনি চাকরি দিবেন, তার ব্যবহার ও পরিচয় যাচাই করবেন। নিম্নে লক্ষণ গুলো বলা হলোঃ
১. কাজ পাওয়ার আগে টাকা চাওয়া
এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত।কেউ যদি বলে, “আগে ৫০০ টাকা দিন, তারপর কাজ পাবেন” তাহলে সতর্ক হোন।
চাকরি পাওয়ার জন্য টাকা দেওয়া স্বাভাবিক নিয়োগ প্রক্রিয়া নয়। এখানে সাধারণত প্রতারক চক্র টাকা নেওয়ার জন্য এই ধরনের লোভনীয় চাকরির অফার দেখিয়ে থাকে।
সত্যিকার অর্থে চাকরি পেতে বা জব পেতে কোন টাকা দিতে হয় না। তাই এই বিষয়টি ভালোভাবে ধারণায় রাখবেন।
২. অস্বাভাবিক বেশি আয়ের প্রতিশ্রুতি
খুব অল্প কাজ করে মাসে ২০-৩০ হাজার টাকা আয়ের নিশ্চয়তা দেওয়া হলে সন্দেহ করুন।বিশেষ করে যখন কাজের ধরন, কাজের পরিমাণ, পেমেন্টের নিয়ম ও প্রতিষ্ঠানের পরিচয় পরিষ্কার নয়।
এছাড়াও আপনারা হয়তো জানেন কলম প্যাকেজিং এর কাজে খুব বেশি বেতন পাওয়া যায় না। হয়তো কলম প্যাকেজিং এর কাজে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা পেতে পারেন।
আর এর বেশি পাওয়া সম্ভব নয়। কেউ যদি দাবি করে কলম প্যাকিং এর কাজে ১০,০০০ টাকা বেতন দেবে, তাহলে অবশ্যই সন্দেহ করবেন এবং তার থেকে দূরে থাকবেন।
৩. শুধু WhatsApp বা Messenger-এ যোগাযোগ
প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, অফিস ঠিকানা, কর্পোরেট ই-মেইল বা যাচাইযোগ্য ফোন নম্বর নেই, শুধু WhatsApp নম্বর দেওয়া হয়েছে।
তাহলে এটি ঝুঁকির লক্ষণ, কারণ এখানে প্রতারণা রয়েছে। কোন কোম্পানি জব দিলে অবশ্যই তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থাকবে, অফিশিয়াল মেইল থাকবে।
পাশাপাশি অফিসিয়াল ঠিকানা থাকবে। এগুলো না থাকলে তাহলে বুঝবেন, তাদের চাকরির অফার সম্পূর্ণ ভুয়া।
৪. কোম্পানির পরিচয় পরিষ্কার নয়
প্রতিষ্ঠানের নাম থাকলেও সেটির অফিস কোথায়, মালিক কে, কী ধরনের ব্যবসা করে এবং সত্যিই প্যাকেজিং কাজ পরিচালনা করে কি না এসব তথ্য যাচাই করা জরুরি।
৫. আগে টাকা, পরে কাজ
“আজই টাকা না দিলে সুযোগ শেষ”, “সীমিত নিয়োগ”, “এখনই রেজিস্ট্রেশন করুন” এ ধরনের চাপ তৈরি করা প্রতারণার একটি সাধারণ কৌশল হতে পারে।
৬. ভুয়া কাগজপত্র দেখানো
কিছু প্রতারক বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করতে ট্রেড লাইসেন্স, আইডি কার্ড বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাগজের ছবি দেখাতে পারে। শুধু ছবি দেখে এগুলো সত্য বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়।
কারণ বর্তমানে এই সব ডকুমেন্ট অনলাইন এর মাধ্যমেই তৈরি করা যায়। যার ফলে এগুলো দেখে বিশ্বাস করা উচিত নয়।
৭. ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া
NID, ব্যাংক তথ্য, OTP, মোবাইল ব্যাংকিং PIN বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চাইলে সতর্ক হবেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই এ ধরনের ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে দূরে থাকবেন। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কখনোই অপরিচিত ব্যক্তিকে দেওয়া উচিত নয়।
আসল কলম প্যাকিংয়ের কাজ থাকলে কীভাবে যাচাই করবেন?
কোনো প্রতিষ্ঠান সত্যিই কাজ দিচ্ছে কি না যাচাই করতে কয়েকটি বিষয় দেখুন।প্রথমে প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল নাম ও ঠিকানা খুঁজে বের করুন। এরপর তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট বা যাচাইযোগ্য যোগাযোগের মাধ্যম আছে কি না দেখুন।
সম্ভব হলে সরাসরি অফিসে যোগাযোগ করুন। শুধু ফেসবুক পেজ বা WhatsApp-এর কথার ওপর নির্ভর করবেন না।
এছাড়া বিজ্ঞাপনে যে কোম্পানির নাম ব্যবহার করা হয়েছে, সেই কোম্পানির অফিসিয়াল যোগাযোগের মাধ্যমে জানতে পারেন, তারা আদৌ এমন কোনো নিয়োগ দিচ্ছে কি না।
উপসংহারঃ কলম প্যাকিং এর কাজ
বাংলাদেশে কলম প্যাকিংয়ের কাজের নামে অনলাইনে প্রচারিত অফার থেকে সাবধান থাকা জরুরি। বিশেষ করে ঘরে বসে সহজ কাজ করে মাসে মোটা অঙ্কের আয়ের প্রতিশ্রুতি এবং কাজ শুরু করার আগেই টাকা চাওয়া হলে সেটিকে বড় সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখুন।
মনে রাখবেন, চাকরি দেওয়ার কথা বলে আপনার কাছ থেকে টাকা নেওয়া আর সত্যিকারের চাকরি দেওয়া এক বিষয় নয়। তাই কোনো অফারে টাকা দেওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ও নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বাধীনভাবে যাচাই করুন।
আমি নোমান, একজন অনলাইন ইনকাম এক্সপার্ট ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর। ২০২১ সাল থেকে অনলাইন আয়ের বিভিন্ন মাধ্যম নিয়ে গবেষণা করছি এবং সেই অভিজ্ঞতার আলোকে এই ওয়েবসাইটে নিয়মিত তথ্যবহুল অনলাইন ইনকামের বিষয় নিয়ে আর্টিকেল প্রকাশ করি। পাশাপাশি তথ্যবহুল দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি






