Amazon কি? অ্যামাজন থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়? বিস্তারিত গাইড

অনলাইনে আয় করার কথা বললে Amazon এর নাম অনেকেরই মনে আসে। কেউ Amazon থেকে পণ্য কেনেন, কেউ সেখানে নিজের পণ্য বিক্রি করেন, আবার কেউ Amazon-এর পণ্য প্রচার করে কমিশন আয় করেন।

ফলে Amazon এখন শুধু কেনাকাটার একটি ওয়েবসাইট নয়; এটি অনেকের জন্য অনলাইন ব্যবসা ও আয়ের একটি বড় প্ল্যাটফর্ম।

তবে একটা বিষয় শুরুতেই পরিষ্কার করা দরকার Amazon এ অ্যাকাউন্ট খুললেই টাকা পাওয়া যায় না। এখানে আয় করতে হলে নির্দিষ্ট একটি পদ্ধতি বেছে নিয়ে কাজ করতে হয়।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

কারও জন্য Affiliate Marketing ভালো হতে পারে, আবার কারও জন্য KDP বা পণ্য বিক্রি করা বেশি উপযোগী হতে পারে।

আপনি যদি জানতে চান Amazon কি, অ্যামাজন থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়, বাংলাদেশ থেকে Amazon-এ কাজ করা সম্ভব কি না এবং নতুনরা কোথা থেকে শুরু করবেন, তাহলে পুরো লেখাটি আপনার কাজে আসবে।

Amazon কি?

Amazon হলো বিশ্বের অন্যতম পরিচিত ই-কমার্স ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। শুরুতে অনলাইনে বই বিক্রির মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে Amazon এর কার্যক্রম অনেক বড়।

অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের পণ্য কেনাবেচার পাশাপাশি Amazon ক্লাউড কম্পিউটিং, ডিজিটাল বিজ্ঞাপন, বিনোদন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অন্যান্য প্রযুক্তি সেবার সঙ্গেও যুক্ত।

অবশ্যই পড়ুনঃ

সহজভাবে বললে, Amazon কে একটি বিশাল অনলাইন বাজার হিসেবে ভাবতে পারেন। এখানে একদিকে যেমন ক্রেতারা পণ্য কিনছেন, অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা নিজেদের পণ্য বিক্রি করছেন।

আবার লেখক, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও affiliate marketer-রাও বিভিন্ন Amazon program ব্যবহার করে আয় করার চেষ্টা করছেন।

মূল কথা amazon এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি প্রোডাক্ট ক্রয় করতে পারবেন এবং নিজের ব্যবসার প্রোডাক্ট বিক্রি পর্যন্ত করতে পারবেন।

পাশাপাশি নিজের প্রোডাক্ট না থাকলেও এফিলিয়েট মার্কেটিং করে এই সাইট থেকে আয় করা যাবে। amazon এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট রয়েছে,

যেখান থেকে প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন এবং বিক্রয় করতে পারবেন। এছাড়াও সেই সাইট ব্যবহার করেই এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইন আর্নিং করতে পারবেন।

অ্যামাজন থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়?

Amazon থেকে আয় করার একাধিক উপায় রয়েছে। তবে সব পদ্ধতি সবার জন্য সমান নয়। কিছু সহজ পদ্ধতি রয়েছে যেগুলো অনুসরণ করে ঘরে বসেই amazon থেকে আয় করতে পারবেন। চলন নিম্নে অ্যামাজন থেকে ইনকাম করার উপায় গুলো দেখে আসি।

  • Amazon Affiliate Marketing
  • Amazon Seller হিসেবে পণ্য বিক্রি
  • Amazon KDP-এর মাধ্যমে বই প্রকাশ
  • নিজের ব্র্যান্ডের পণ্য বিক্রি
  • Print-on-Demand ধরনের কাজ
  • Amazon marketplace ব্যবহার করে অনলাইন ব্যবসা

উপরোক্ত উপায়ে আমাজন থেকে ইনকাম করা যাবে। তবে এর মধ্যে থেকে নতুনদের কাছে Amazon Affiliate এবং KDP তুলনামূলকভাবে বেশি পরিচিত।

আরো পড়ুনঃ  মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট: ঘরে বসেই প্রতিদিন ইনকাম করুন ৩০০ টাকা

তবে যাদের নিজস্ব পণ্য বা ব্যবসা রয়েছে, তারা Amazon Seller হিসাবে কাজ করতে পারেন। এই উপায়ে ভালো পরিমান ইনকাম করা যায়। নিম্নে উপায়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ

১. Amazon Affiliate Marketing করে ইনকাম

অ্যামাজন থেকে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার অন্যতম উপায় হলো এমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং। এই উপায়ে অ্যামাজন থেকে আনলিমিটেড টাকা আয় করা যায়।

আপনার যদি মার্কেটিং করার দক্ষতা থাকে তাহলে দীর্ঘদিন ধরে এই মাধ্যমে উপার্জন করতে সক্ষম হবেন। তাদের ওয়েবসাইটের প্রোডাক্টের মার্কেটিং করে বিক্রি করার মাধ্যমে কমিশন নিতে পারবেন।

উদাহরণস্বরূপ ধরুন আপনি প্রযুক্তি নিয়ে লেখালেখি করেন। আপনার একটি ওয়েবসাইট আছে এবং সেখানে আপনি মোবাইল, ল্যাপটপ, হেডফোন কিংবা অন্যান্য গ্যাজেট নিয়ে বিভিন্ন ধরনের তথ্য প্রকাশ করেন।

একদিন আপনি লিখলেন, “কম বাজেটে ভালো হেডফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো জানা দরকার”।আর্টিকেলে আপনি কয়েকটি হেডফোন পণ্যের বৈশিষ্ট্য, সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করলেন।

এরপর Amazon এর affiliate program-এর নিয়ম মেনে সংশ্লিষ্ট পণ্যের affiliate link যুক্ত করলেন।এখন কোনো পাঠক সেই লিংকে গিয়ে Amazon-কোন পণ্য কেনাকাটা করলে প্রোগ্রামের নিয়ম অনুযায়ী আপনি কমিশন পাবেন।

Amazon Associates-এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী, qualifying purchase এর ক্ষেত্রে কমিশন প্রযোজ্য হতে পারে এবং হিসাব sale price এর ওপর করা হয়।

মূল কথা এখানে আপনি প্রোডাক্টের প্রচার করে সেগুলো বিক্রি করার মাধ্যমে কমিশন অর্জন করতে পারবেন। অনেকটা ড্রপ শিপিং এর মত। তবে ড্রপ শিপিংয়ে অনেক বেশি আয় করা যায়।

কারণ সেখানে আমরা এক্সট্রা দামে প্রোডাক্টগুলো বিক্রি করতে পারি। কিন্তু এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে প্রোডাক্ট থেকে কমিশন নিয়ে আয় করতে হয়, যে ক্ষেত্রে ইনকাম কিছুটা কম হয়। তবুও প্রোডাক্ট এর প্রচুর সেল আনতে পারলে অনেক কমিশন পাওয়া যায়।

Amazon Affiliate থেকে আয় করতে কী লাগে?

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মানুষকে আপনার কনটেন্টে নিয়ে আসা। এজন্য আপনার ব্লগিং সাইট থাকতে হবে এবং পাশাপাশি আকর্ষণীয় কন্টেন্ট লিখতে হবে।

যাতে করে আপনার সাইটে ভিজিটর আসে। পাশাপাশি ওয়েবসাইটে পণ্য ভিত্তিক কন্টেন্ট গুলো বেশি আপলোড করতে হবে।

এতে করে যারা পণ্য ক্রয় করে তারা কন্টেন্টটি পড়ে পণ্য কেনার জন্য এফিলিয়েট লিংকে ক্লিক করতে পারে। এভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করা যায়।

২. Amazon Seller হয়ে পণ্য বিক্রি

অ্যামাজন শপিং প্লাটফর্ম থেকে উপার্জনের সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো নিজের প্রোডাক্ট বিক্রি করা। অর্থাৎ অ্যামাজন প্লাটফর্মে নিজের ব্যবসার পণ্য বিক্রি করে অনলাইনে আয় করতে পারবেন।

আপনি অনলাইনের মাধ্যমে amazon থেকে অর্ডার নিতে পারবেন এবং ডেলিভারি দিয়ে ইনকাম করতে পারবেন।

অ্যামাজনে নিজের প্রোডাক্ট বিক্রি করার জন্য প্রথমে Amazon marketplace এ পণ্যের listing তৈরি করবেন।একজন ক্রেতা পণ্যটি অর্ডার করলে Amazon এর নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুযায়ী অর্ডার fulfilment করতে হবে।

ধরুন আপনি একটি নির্দিষ্ট ধরনের kitchen product বিক্রি করেন। শুধু পণ্য Amazon-এ তুলে দিলেই কাজ শেষ নয়। আপনাকে আরো অনেক বিষয়ে ভাবতে হবে যেমনঃ

  • পণ্যের দাম কত হবে?
  • প্রতিযোগীরা কত দামে বিক্রি করছে?
  • product image কেমন হবে?
  • description কীভাবে লিখবেন?
  • shipping এর খরচ কত?
  • Amazon এর applicable fees কত?
  • ক্রেতার কাছে কীভাবে ভালো service দেবেন?
আরো পড়ুনঃ  ফ্রিতে গেম খেলে টাকা ইনকাম করার সহজ ৫টি নিয়ম

উপরোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে amazon এ ব্যবসা শুরু করবেন। প্রথমেই আপনি এই বিষয়গুলো নিয়ে ভাববেন। সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন।

পাশাপাশি কাস্টমারদের সঠিকভাবে সার্ভিস দেওয়ার চেষ্টা করবেন। আর একটা কথা জেনে রাখুন এই বিষয়গুলো না মেনে ব্যবসা শুরু করলে বিক্রি হলেও লাভ কম হতে পারে।

৩. Amazon KDP দিয়ে ইনকাম

আপনি যদি লেখালেখি করতে পছন্দ করেন, তাহলে Amazon KDP আপনার জন্য আকর্ষণীয় একটি ইনকামের সুযোগ হতে পারে।

KDP-এর পূর্ণরূপ Kindle Direct Publishing। এটি Amazon-এর self-publishing platform, যেখানে লেখকরা নিজেদের eBook, paperback এবং hardcover বই প্রকাশ করতে পারেন।

Amazon বর্তমানে KDP কে বিনামূল্যে self-publishing platform হিসেবে উল্লেখ করে থাকে। যার ফলে এখানে বিনামূল্যে যেকোন লেখক বৈধ বুক পাবলিশ করতে পারবে।

ধরুন আপনি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে ভালো জানেন। সেই জ্ঞানকে সাজিয়ে একটি মানসম্মত বই তৈরি করলেন। এরপর KDP এর মাধ্যমে বইটি প্রকাশ করতে পারেন।

এখন অনেকে প্রশ্ন করেন কোন কোন বিষয়ে বই লেখা যাবে। মূলত আপনি বিভিন্ন টাইপের বই নিয়ে লেখালেখি করতে পারেন যেমনঃ

  • গল্প
  • উপন্যাস
  • শিশুদের বই
  • শিক্ষা
  • ক্যারিয়ার
  • ব্যবসা
  • রান্না
  • ভ্রমণ
  • বিভিন্ন ধরনের তথ্যভিত্তিক গাইড

তবে বইয়ের লেখা, ছবি ও অন্যান্য উপাদান অবশ্যই আপনার নিজের হতে হবে অথবা সেগুলো ব্যবহারের বৈধ অধিকার আপনার থাকতে হবে।

KDP থেকে কত আয় করা যায়?

এখানে নির্দিষ্ট কোনো মাসিক আয়ের নিশ্চয়তা নেই।Amazon-এর বর্তমান KDP তথ্য অনুযায়ী, eBook-এর ক্ষেত্রে 35% বা 70% royalty option পাবেন,

এটি বইয়ের কোয়ালিটি উপর নির্ভর করে রয়েলটি প্রদান করে থাকে। ভালো কোয়ালিটির বই পাবলিশ করলে এবং বই আকর্ষণীয় বেশি বিক্রি হলে ৭০% পর্যন্ত রয়েলটি পেতে পারেন।

আর print book-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তে 60% পর্যন্ত royalty পাওয়া যেতে পারে। Print book-এর royalty থেকে printing cost বাদ হবে।

Amazon কি? অ্যামাজন থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়?
Amazon কি? অ্যামাজন থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়?

তাই “একটি বই প্রকাশ করলেই প্রতি মাসে নির্দিষ্ট টাকা আসবে” এমন ধারণা করা ঠিক নয়।বইয়ের বিষয়, মান, প্রচার, মূল্য এবং পাঠকের চাহিদার ওপর বিক্রি নির্ভর করবে।

তবে আরও বিস্তারিত জানতে amazon ওয়েবসাইটে সরাসরি ভিজিট করুন এবং তাদের শর্ত ও নীতিমালা গুলো দেখে নিন।

৪. Amazon-এ নিজের ব্র্যান্ডের পণ্য বিক্রি

আপনার যদি নিজের কোনো brand থাকে, তাহলে Amazon ব্যবহার করে সেটিকে বড় বাজারে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

এই পদ্ধতিতে আপনি আপনার ব্যান্ডের পণ্য বিক্রি করার মাধ্যমে নিজের ব্যান্ডের পরিচিতি বাড়াতে পারেন। মূলত আপনার লক্ষ্য থাকবে আপনার ব্যবসার ব্যান্ডের পরিচিতি বাড়ানো।

আর অ্যামাজনের মাধ্যমে এটি খুব সহজেই করতে পারবেন। মানসম্মত ও কোয়ালিটি ফুল প্রোডাক্ট বিক্রি করলেই ব্যান্ডের পরিচিতি বাড়ানো যায়।

পাশাপাশি আপনার ব্যান্ডের উপর গ্রাহকের বা কাস্টমারের বিশ্বাস বেড়ে যায়। এতে করে আপনার নিজের ব্যান্ডের প্রচার হতে থাকে এবং বিশ্বে পরিচিতি লাভ করতে থাকে।

আরো পড়ুনঃ  প্রতিদিন আয় করতে চান? দেখে নিন সেরা ৫টি হালাল টাকা ইনকাম app

এখানে product quality, packaging, customer experience এবং branding খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সকল বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে আমাজনে প্রোডাক্ট বিক্রি করলে আপনার নিজের ব্যান্ডের পরিচিতি বিশ্বে বাড়াতে পারবেন।

পাশাপাশি আমাজনেই বিশ্বাসযোগ্য ব্যান্ড হয়ে উঠবেন। এভাবে আপনি নিজের ব্যান্ডের পরিচিত বাড়াতে পারেন এবং প্রোডাক্টের সেল বৃদ্ধি করতে পারেন।

৫.Amazon-এ বই বিক্রি করে ব্যবসা

আমাজনে কিন্তু বই বিক্রি করেও ইনকাম করা যায়। আপনার বইয়ের দোকান থাকলে আপনি সেগুলো অ্যামাজনের অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারেন।

এক্ষেত্রে আপনার বইগুলো নিজের লেখা থাকতে হবে। নিজের লেখা বই হলে খুব সহজে আমাজনের মাধ্যমে বিক্রি করা যায়।

অ্যামাজনে বই বিক্রি করার কিছু নিয়ম ও শর্ত রয়েছে। সেগুলো পূরণ করে amazon এর বই সেলার হতে পারবেন।

Amazon যেহেতু বিশ্বব্যাপী বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম, সেক্ষেত্রে এখানে বই বিক্রি করে প্রচুর অর্থ করতে পারবেন। পাশাপাশি বইয়ের বিক্রি পর্যন্ত বাড়াতে পারবেন।

বাংলাদেশ থেকে Amazon থেকে ইনকাম করা যাবে?

এই প্রশ্নটি বাংলাদেশি নতুনদের মধ্যে খুবই সাধারণ।এর উত্তর হলো আপনি কোন Amazon program ব্যবহার করতে চাইছেন তার ওপর বিষয়টি নির্ভর করে।

সব Amazon service বা program সব দেশে একইভাবে available নয়। তাই শুধু কারও ভিডিও বা পোস্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না।

আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে Amazon-এর কোনো program ব্যবহার করতে চান, তাহলে আগে নিচের বিষয়গুলো দেখুনঃ

  • আপনার দেশ program-এর জন্য eligible কি না
  • payment কীভাবে পাওয়া যাবে
  • identity verification-এর কী প্রয়োজন
  • tax information লাগবে কি না
  • কোন marketplace ব্যবহার করা যাবে
  • program-এর বর্তমান terms কী

বিভিন্ন সময়ে নিয়ম পরিবর্তিত হতে পারে। তাই অ্যাকাউন্ট তৈরি করার আগে Amazon-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তথ্য যাচাই করুন।

উপসংহার

অ্যামাজন থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়? এই সম্পর্কে সকল বিষয়গুলো ভালোভাবে বুঝিয়ে দিয়েছি। amazon থেকে ইনকাম করার অনেকগুলো উপায় আছে, এর মধ্যে কিছু উপায় রয়েছে যেগুলো অনুসরণ করে ঘরে বসেই উপার্জন করা যায়।

আর অ্যামাজন থেকে ইনকামের ক্ষেত্রে প্রতিটি উপায়ের বিষয়গুলোতে জ্ঞান থাকতে হবে এবং কিছু বিষয় দক্ষতার প্রয়োজন রয়েছে।

এই প্লাটফর্ম থেকে ইনকামের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো নিজের দক্ষতা অনুযায়ী একটি উপায় নির্বাচন করা।

এই যেমন ধরুন আপনি কন্টেন্ট লিখতে পারেন এবং আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট আছে। সে ক্ষেত্রে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং উপায়টি নির্বাচন করতে পারেন।

আবার ধরুন আপনার নিজস্ব ব্যবসায় রয়েছে, সেক্ষেত্রে আপনি amazon প্রোডাক্ট সেলার হিসেবে কাজ করতে পারেন।

এভাবে আপনার দক্ষতা অনুযায়ী যে কোন একটি মাধ্যম বা উপায় নির্বাচন করুন। আর ধৈর্য ধরে কাজ করুন তাহলে অবশ্যই সফল হতে পারবেন।

Leave a Comment